ভোটের মাঠে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই কি ষড়যন্ত্র? দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে অপপ্রচার ও আইনি চ্যালেঞ্জের কড়া জবাব আউয়াল মিন্টুর
আইনি বৈধতা বনাম পরাজয়ের ভীতি
নির্বাচনী প্রচারণায় আব্দুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে সৃষ্ট গণজোয়ারে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ মহল দ্বৈত নাগরিকত্বের পুরনো ইস্যু সামনে এনেছে। জামায়াত প্রার্থীর আপিলে অভিযোগ করা হয়েছে, আব্দুল আউয়াল মিন্টু নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ দেননি। অথচ আউয়াল মিন্টুর আইনজীবীরা দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, গত ৯ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব সারেন্ডার করেছেন এবং তার স্বপক্ষে যাবতীয় দালিলিক প্রমাণ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া আছে।
মিন্টুর স্পষ্ট বক্তব্য
নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "আমার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন, তারা মূলত নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নিয়ম-কানুন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই প্রার্থী হয়েছি। যদি কোনো আইনি বাধা থাকত, তবে কমিশন আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করত না।"
জনজোয়ার রুখতে ‘দেউলিয়া রাজনীতি’
দাগনভূঞা ও সোনাগাজীর সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টুর উন্নয়নমুখী রাজনীতি ও ক্লিন ইমেজের কাছে জামায়াত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছেন। ব্যালট বিপ্লবে কুলিয়ে উঠতে না পেরেই এখন আইনি জটিলতা সৃষ্টি করে মাঠ ফাঁকা করার পায়তারা চলছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মীমাংসিত একটি বিষয়কে নতুন করে সামনে আনাকে ‘দেউলিয়া রাজনীতি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
শেষ কথা
আব্দুল আউয়াল মিন্টুর অবস্থান ফেনী-৩ আসনে এতটাই সুসংহত যে, তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখা ছাড়া প্রতিপক্ষের জয়ের কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপি নেতাকর্মীরা শতভাগ আশাবাদী, নির্বাচন কমিশন এই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আপিল খারিজ করে দেবে।
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)

No comments